ব্যাংক হিসাব খুলে দেওয়ার দাবিতে গতকাল সিলেটে ইউনিপের কয়েক শ' গ্রাহক বিক্ষোভ মিছিলসহকারে সিটি করপোরেশনের মেয়র, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। একই দাবিতে তারা ৩০ এপ্রিল সিলেটে মহাসমাবেশও আহ্বান করেছেন। ওই সমাবেশ থেকে সিলেটে হরতাল ও ধর্মঘটসহ বিভিন্ন কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছেন গ্রাহকরা। জানা গেছে, সিলেট বিভাগে ইউনিপে টু ইউ'র প্রায় দুই লাখ গ্রাহক রয়েছেন। তাদের বিনিয়োগ করা প্রায় সাড়ে চারশত কোটি টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তারা। ব্যাংক হিসাব বন্ধ থাকায় কোম্পানির পাঠানো ডলার নগদায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন ইউনিপের গ্রাহকরা এদিকে, দশমাসে দ্বিগুণ মুনাফা দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে ১১ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইউনিপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ দশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক গ্রাহক। গ্রাহকদের রোষানল থেকে বাঁচতে সিলেট নগরীর সবকটি এজেন্সির কর্মকর্তারা গা ঢাকা দিয়েছেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র, জয়েন্ট স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধন ও আমদানি-রপ্তানি সনদ, ট্রেড লাইসেন্স, ইনকাম ট্যাক্স ও ভ্যাট লাইসেন্স থাকায় গ্রাহকরা ইউনিপে টু ইউতে বিনিয়োগ করেছেন। গত দেড় বছর সরকার ইউনিপের কাছ থেকে আয়কর, ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায় করেছে। কিন্তু হঠাৎ করে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কোম্পানির লাখ লাখ গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দেয়। এতে বিনিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন গ্রাহকরা। এ প্রসঙ্গে ইউনিপে গ্রাহক ফোরাম সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ মাহমুদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, সিলেটের সব গ্রাহককে এক প্লাটফর্মে আনার লক্ষ্যে গ্রাহক ফোরাম গঠন করা হয়েছে।
Showing posts with label online news. Show all posts
Showing posts with label online news. Show all posts
Friday, April 22, 2011
সিলেটে ইউনিপে গ্রাহকদের স্মারকলিপি
ব্যাংক হিসাব খুলে দেওয়ার দাবিতে গতকাল সিলেটে ইউনিপের কয়েক শ' গ্রাহক বিক্ষোভ মিছিলসহকারে সিটি করপোরেশনের মেয়র, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। একই দাবিতে তারা ৩০ এপ্রিল সিলেটে মহাসমাবেশও আহ্বান করেছেন। ওই সমাবেশ থেকে সিলেটে হরতাল ও ধর্মঘটসহ বিভিন্ন কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছেন গ্রাহকরা। জানা গেছে, সিলেট বিভাগে ইউনিপে টু ইউ'র প্রায় দুই লাখ গ্রাহক রয়েছেন। তাদের বিনিয়োগ করা প্রায় সাড়ে চারশত কোটি টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তারা। ব্যাংক হিসাব বন্ধ থাকায় কোম্পানির পাঠানো ডলার নগদায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন ইউনিপের গ্রাহকরা এদিকে, দশমাসে দ্বিগুণ মুনাফা দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে ১১ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইউনিপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ দশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক গ্রাহক। গ্রাহকদের রোষানল থেকে বাঁচতে সিলেট নগরীর সবকটি এজেন্সির কর্মকর্তারা গা ঢাকা দিয়েছেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র, জয়েন্ট স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধন ও আমদানি-রপ্তানি সনদ, ট্রেড লাইসেন্স, ইনকাম ট্যাক্স ও ভ্যাট লাইসেন্স থাকায় গ্রাহকরা ইউনিপে টু ইউতে বিনিয়োগ করেছেন। গত দেড় বছর সরকার ইউনিপের কাছ থেকে আয়কর, ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায় করেছে। কিন্তু হঠাৎ করে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কোম্পানির লাখ লাখ গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দেয়। এতে বিনিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন গ্রাহকরা। এ প্রসঙ্গে ইউনিপে গ্রাহক ফোরাম সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ মাহমুদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, সিলেটের সব গ্রাহককে এক প্লাটফর্মে আনার লক্ষ্যে গ্রাহক ফোরাম গঠন করা হয়েছে।
Thursday, April 14, 2011
এসো মিলি প্রাণের উৎসবে
কালের কণ্ঠের :চৌধুরী আফতাবুল ইসলাম
প্রায় ৩০ হাজার বছর আগে প্যালিওলিথিক যুগের মানুষ গুহার পাথুরে দেয়ালে ছবি আঁকতে শুরু করেছিল। পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো গুহাচিত্রটি মিলবে ফ্রান্সের শোভেতে। স্পেনের আলতামিরার পাহাড়ের গায়ে প্রাগৈতিহাসিক যুগে আঁকা বাইসনটি প্রাচীনতম শ্রেষ্ঠ চিত্রকর্ম। প্রাচীন ইতিহাস আর খণ্ড সময় স্তব্ধ হয়ে আছে শ্রাবস্তির কারুকার্যে। মিসরের হায়ারোগি্লফিকের প্রচ্ছদে প্রচ্ছদে আছে ফারাওদের শ্রেষ্ঠত্বের উচ্চকিত ঘোষণা। আর তাতেই উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্ভবত নেপোলিয়ন তাঁর রাজকীয় প্রতীক করেছিলেন একটি মৌমাছি। কারণ হায়ারোগি্লফিকে শাসক শব্দটির চিত্রচিহ্ন মৌমাছি। এসব চিত্রকর্মের সৃষ্টি নিজেকে প্রকাশের তাগিদ থেকেই। ঠিক তেমনিভাবে আমরা মানে বাঙালির নিজস্বতার শ্রেষ্ঠতম পিক্টোরিয়াল স্ক্রিপ্টটি (চিত্রলিপি) তৈরি হয় প্রতি বৈশাখের প্রথম দিনটিতে। যেমন হবে আজও। নববর্ষ ১৪১৮-এর সূচনা দিনে আবারও বাংলার ত্রিমাত্রিক ক্যানভাস আরেকটি অনন্য শিল্পকর্ম হয়ে উঠবে। আজ বাংলাদেশের পথে-প্রান্তরের প্রতিটি দৃশ্য যেন একটি জাতির আপন ঐতিহ্য, স্বাধীনতা আর আবহমান সংস্কৃতির নান্দনিক সনদচিত্র। চারপাশের
এরকম অজস্র ফ্রেমের সমন্বয়ে সম্পূর্ণ হবে বাঙালির নিজস্বতা, ঐতিহ্য আর অহঙ্কারের চিত্রকর্মটি।
যদিও এখনো বাতাসে বসন্তের গন্ধ। আসমানে চৈত্রের নিদাঘ। এরই মধ্যে নতুনকে বরণের আয়োজন গ্রীষ্মকে ছোঁয়ার বাসনায়। বিশ্বায়নের বাজারে যখন গ্লোবাল জাতীয়তার জয়ধ্বনি, সাইবার স্পেস, স্যাটেলাইট টেলিভিশন আর সামাজিক নেটওয়ার্কের অলিগলিতে যখন বিশ্বসংস্কৃতির সুনামি_সেই সময়ে নিজেকে খুঁজে ফেরার তাগিদটা খুবই আশাজাগানিয়া। আমরা আমাদের আপন ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ এবং ধারণ করেই বিশ্ব নাগরিক হব_বাঙালি মানসে এই বোধটি এখন খুবই প্রবল।
সময় যতই এগিয়ে যাক, জীবন যতই দ্রুততর হোক, অগোচরে ঠিকই প্রতিটি বাঙালির মনের ভেতরে ডানা ঝাপটায় সাবেকি বাংলার প্রান্তিক সমাজ, লোকজ আচার-সুর। ওই যে, প্রাজ্ঞ মানুষেরা বলেন না, যতই বদলানোর হাতছানি থাক, সময়, নিজ প্রকৃতি, ঐতিহ্য কী এক প্রগাঢ় নিবিষ্টতায় ছুঁয়ে থাকে জীবনকে। যতই প্রতিযোগিতা থাক, ব্যস্ততা চেপে বসুক, চিরন্তন সেই রূপসী বাংলা ঠিকই বুকের ভেতরে জেগে থাকে। সে জন্যই নববর্ষের এই একটি দিনকে উপলক্ষ করে বাঙালির নিজস্ব উৎসবের এমন নিপাট আয়োজন। যেখানে ধর্ম নেই, শ্রেণী নেই, বিভেদ নেই_শুধুই এই ভূখণ্ডের নিজস্ব লোকাচারের সর্বজনীন দর্শনে উচ্ছ্বাসে মেতে থাকা।
_'তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও_আমি এই বাংলার পারে রয়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে...।' শুভ নববর্ষ ১৪১৮।
Subscribe to:
Posts (Atom)
